রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

২৭ রমজান…….. কোরআন নাজিলের রজনী লাইলাতুল কদর

অনলাইন ডেস্ক / ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন

বিশ্ব মুসলিম মননে সর্বাধিক পবিত্র ও মহিমান্বিত রাত হচ্ছে লাইলাতুল কদর। এই মহান মর্যাদাময় রাত্রিতেই বিশ্ব মানবতার সর্বশ্রেষ্ঠ মুক্তির সনদ ও সর্বযুগের সর্ব জাতির পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থার অপরিবর্তনীয় বিধান গ্রন্থ আল-কোরআন নাজিল করা হয়েছিল।
ভারতীয় উপমহাদেশ, পারস্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশের ফারসি, উর্দু, বাংলা, হিন্দিসহ নানা ভাষাভাষী মানুষের কাছে এটি ‘শবে কদর’ নামেই সমধিক পরিচিত। ‘শব’ শব্দটি ফারসি, অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী; ‘কদর’ শব্দটি আরবি, অর্থ হলো মহিমা, সম্মান ও মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। ‘শবে কদর’ অর্থ মর্যাদার রাত্রি, ভাগ্য রজনী। শবে কদর-এর আরবি হলো ‘লাইলাতুল কদর’ তথা সম্মানিত রাত্রি। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার জাবালে রহমত তথা হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে ফেরেশতাদের সরদার হজরত জিবরাইল (আ.)-এর মাধ্যমে বিশ্ব নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি মহাগ্রন্থ আল–কোরআন অবতীর্ণ হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারিরূপে ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শন।’ (সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ১৮৫)।
আসমানি এক শ সহিফা ও চারখানা কিতাবসহ মোট এক শ চারটি কিতাবের মধ্যে আল–কোরআন সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। এই কোরআনের স্পর্শ বড়ই সৌভাগ্যের। সংস্পর্শে একটি সাধারণ রাত ‘লাইলাতুল কদর’ বা ‘শবে কদর’ রজনীর সম্মানে বিভূষিত হয়েছে। কোরআনের সঙ্গে যাঁর যতটুকু সম্পর্ক ও সংস্পর্শ থাকবে তিনি ততটুকু সম্মানিত ও মর্যাদার অধিকারী হবেন। প্রিয় হাবিব (সা.) বলেন, ‘কোরআনওয়ালা-ই আল্লাহওয়ালা এবং তাঁর প্রিয় ব্যক্তি।’ (বুখারি)। ‘যার অন্তরে কোরআনের সামান্যতম অংশও নেই, সে যেন এক বিরান বাড়ি।’ (বুখারি ও মুসলিম)। রাসুলে আকরাম (সা.) আরও বলেছেন: ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাত্রগুলোতে শবে কদর সন্ধান করো।’ (মুসলিম)। এ রাতগুলো হলো ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯। আরবিতে দিনের আগে রাত গণনা করা হয়।
পবিত্র কোরআনে এই শুভ রজনীর আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে একটি সুরায়, যার নাম সুরা কদর। মক্কায় অবতীর্ণ পাঁচ আয়াতবিশিষ্ট এই সুরা কোরআন মজিদের ৯৭তম সুরা। এই সুরায় আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে। আপনি কি জানেন মহিমাময় কদর রজনী কী? মহিমান্বিত কদর রজনী হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাতে ফেরেশতাগণ রুহুল কুদুস ও হজরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সকল বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষার উদয় পর্যন্ত।’
মুফাসসিরগণ বলেন, ‘আরবিতে “লাইলাতুল কদর” শব্দদ্বয়ে নয়টি হরফ বা বর্ণ রয়েছে; আর সুরা কদরে লাইলাতুল কদর শব্দদ্বয় তিনবার রয়েছে; নয়কে তিন দিয়ে গুণ করলে সাতাশ হয়, তাই সাতাশে রমজানের রাতে শবে কদর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।’ (তাফসিরে মাজহারি)।
হজরত আয়িশা সিদ্দিকা (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল (সা.) ! আমি যদি লাইলাতুল কদর সম্পর্কে জানতে পারি, তাহলে আমি ওই রাতে আল্লাহর কাছে কী দোয়া করব?’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন; তুমি বলবে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন, তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’ ‘হে আল্লাহ! আপনি শ্রদ্ধাশীল, ক্ষমা ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করেন।’ (ইবনে মাজা, সহিহ্-আলবানি)। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: ‘যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে সওয়াবের নিয়তে কদরের রাতে ইবাদত করবে; তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ (বুখারি, ইমান অধ্যায়, পরিচ্ছেদ: ২৫, খণ্ড: ১, পৃষ্ঠা: ২৯-৩০, হাদিস: ৩৪)।
লাইলাতুল কদরের আমল হলো:
=======
নফল নামাজ: তাহিয়্যাতুল অজু, দুখুলিল মাসজিদ, আউওয়াবিন, তাহাজ্জুদ, ছলাতুত তাসবিহ, তাওবার নামাজ, সলাতুল হাজাত, সলাতুশ শোকর ও অন্যান্য নফল ইত্যাদি পড়া। নামাজে কিরাআত ও রুকু-সিজদা দীর্ঘ করা। কোরআন শরিফ: সুরা কদর, সুরা দুখান, সুরা মুজ্যাম্মিল, সুরা মুদ্দাচ্ছির, ইয়া-সিন, সুরা ত-হা, সুরা আর রহমান ও অন্যান্য ফজিলতের সুরা তিলাওয়াত করা; দরুদ শরিফ বেশি বেশি পড়া; তাওবা ইস্তিগফার অধিক পরিমাণে করা; দোয়া-কালাম, তাসবিহ তাহলিল, জিকির আজকার ইত্যাদি করা; কবর জিয়ারত করা; নিজের জন্য, পিতা-মাতার জন্য, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও সব মোমিন মুসলমানের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং দেশ, জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করা।
হজরত রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রমজানে হজরত জিবরাইল (আ.)–কে অবতীর্ণ পূর্ণ কোরআন একবার শোনাতেন এবং হজরত জিবরাইল (আ.)ও নবী করিম (সা.)–কে অবতীর্ণ পূর্ণ কোরআন একবার শোনাতেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনের শেষ রমজানে দশম হিজরির রমজান মাসে মহানবী সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম হজরত জিবরাইল (আ.)–কে পূর্ণ কোরআন মজিদ দুবার শোনান এবং হজরত জিবরাইল (আ.)–ও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে পূর্ণ কোরআন শরিফ দুবার শোনান। এতে বোঝা গেল রমজান শুধু কোরআন নাজিলের মাস নয়; বরং রমজান মাস হলো কোরআন শিক্ষণ প্রশিক্ষণ, কোরআন পঠন পাঠন ও কোরআন চর্চার মাস এবং সর্বোপরি রমজান মাস হলো জীবনের সর্বক্ষেত্রে কোরআন অনুশীলন ও বাস্তবায়নের মাস।
আল্লাহ তায়ালা বলেন : রমজান মাস, এতে নাজিল হয়েছে কোরআন, যা মানুষের দিশারি এবং স্পষ্ট নিদর্শন ও সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী। (সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৪)
রমজান মাসে সপ্তম আকাশের লওহে মাহফুজ থেকে দুনিয়ার আকাশ বায়তুল ইজ্জতে পবিত্র কোরআন একবারে নাজিল হয়েছে। সেখান থেকে আবার মজান মাসে অল্প অল্প করে নবী করিম (সা.) এর প্রতি নাজিল হতে শুরু করে। কোরআন নাজিলের দুটি স্তরই রমজান মাসকে ধন্য করেছে।
রমজান মাসের সঙ্গে আসমানি গ্রন্থগুলো, বিশেষ করে কোরআনের এমন অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের কারণে রমজান মহিমান্বিত হয়েছে—সন্দেহ নেই। এমনকি কোরআনের সঙ্গে এর সম্পর্ক এত গভীর যে, রমজানকে কোরআনের মাস বলেই অভিহিত করা হয়। ইমাম যুহরি রহ. বলেন : রমজান হচ্ছে কোরআন তেলাওয়াত ও আহার বিতরণের মাস। (ইবনে আব্দুল বার, আত তামহিদ, ৬/১১১)
রমজানে কেন কোরআন নাজিল হয়েছে—এর কারণ তো একমাত্র আল্লাহ তায়ালাই জানেন। তবে কোরআনের বিভিন্ন আয়াত, হাদিসের ভাষ্য এবং সময়ের সাক্ষ্য থেকে বোঝা যায় বিশেষত তিনটি কারণে রমজানে কোরআন নাজিল করা হয়েছে।
এক. রমজান আসমানি গ্রন্থ নাজিলের মাস
=====
আল্লাহ তায়ালার সাধারণ আদত অনুসারে রমজানেই তিনি আসমানি গ্রন্থ নাজিল করে থাকেন। তাই কোরআনসহ শ্রেষ্ঠ আসমানি গ্রন্থাবলি রমজানে অবতীর্ণ হয়েছে বলে বিশুদ্ধ হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূল (সা.) বলেন : রমজান মাসের পহেলা ইবরাহিম (আ.) সহিফা লাভ করেন, ৬ তারিখে মুসা (আ.) এর কাছে ‘তাওরাত’ নাজিল হয়।
দাউদ (আ.) এর কাছে পবিত্র যবুর নাজিল হয় এ পবিত্র মাসের ১২ তারিখে, আর ঈসা (আ.) পবিত্র ‘ইঞ্জিল’লাভ করেন এবং কোরআন নাজিল হয় রমজানের ২৪ তারিখে। (তাবারানি, হাদিস ১৮৫; তাফসিরে তাবারি, ২৪/৩৭৭)
দুই. রমজান ও কোরআনের অভিন্ন উদ্দেশ্য
========
রমজান ও কোরআন উভয়ের উদ্দেশ্যও এক। আর তা হলো তাকওয়া অর্জন। দেখুন, কোরআনে এসেছে : তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো। (সুরা বাকারা, আয়াত ১৮৩)
আবার কোরআন যদিও সমগ্র মানবজাতির জন্য অবতীর্ণ হয়েছে, কিন্তু এর দ্বারা শুধু মুত্তাকি ব্যক্তিরাই প্রকৃত উপকার লাভ করবেন—তা-ও উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন : এটি আল্লাহর কিতাব। এতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তাকিদের জন্য হিদায়াত। (সুরা বাকারা, আয়াত ২)
ইবনে হাজার রহ. বলেন : তেলাওয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য আত্মিক উপস্থিতি ও উপলব্ধি। (ফাতহুল বারি, ৯/৪৫)
ইবনে বাত্তাল রহ. বলেন : রাসূলের এ কোরআন শিক্ষা ও অনুশীলনের একমাত্র কারণ ছিলো পরকালের আকাঙ্ক্ষা ও ব্যাকুল ভাবনার জাগরণ এবং পার্থিব বিষয়ে অনীহার সৃষ্টি করা। (ইবনে বাত্তাল, শরহে বোখারি, ১/১৩)
আর তাকওয়া অর্জনের উদ্দেশ্য এসবই।
তিন. কোরআন সংরক্ষণ
=======
রমজান মাস হল কোরআন সংরক্ষণের মাস। যদিও কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহ তায়ালারই হাতে। যেমন তিনি বলেছেন : আমি স্বয়ং এ উপদেশ গ্রন্থ অবতারণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক। (সূরা হিজর, আয়াত ৯)
কিন্তু মানুষই হলো আল্লাহ তায়ালার খলিফা বা পৃথিবীতে তার প্রতিনিধি। এবং মানুষের জন্য তিনি দিয়েছেন রমজান ও কোরআন। রাসূল (সা.)-এর জীবন থেকে দেখি রমজান মাসকেই তিনি কোরআন অনুশীলেন জন্য বিশেষভাবে বেছে নিয়েছেন, যেমনি তার সাহাবি ও পরবর্তী সালাফগণও করেছেন। কোরআনে সেই সকল মহান ব্যক্তিদের উল্লেখ করে এরশাদ করা হয়েছে—এটা সংরক্ষণ ও পাঠ করার দায়িত্ব আমার। যখন আমি তা পাঠ করি, তখন তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর। অত:পর তা ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব আমারই। (সূরা কিয়ামাহ, আয়াত ১৭, ১৮)
একই সঙ্গে তিনি রমজানে রোজা ফরজ করে দিয়ে তার সঙ্গে তারাবির মতো এমন একটি কোরআনি আমল জুড়ে দিয়েছেন যে, বর্তমান বাস্তবতায় তারাবি নামাজ হাফেজে কোরআনদের কোরআন চর্চার জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ। এভাবে বিশ্বজুড়ে হাফেজদের ঐক্যবদ্ধ অনুশীলন প্রমাণ করে রমজান ছাড়া তাদের জন্য কোরআন হেফাজত করা যারপরনাই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ত।
এমনকি এ-কারণে রমজানে নবীজি (সা.) অধিক পরিমাণে কোরআন অনুশীলনে ব্যস্ত থাকতেন। রমজানে কোরআন শিক্ষায় রাসূলের সহপাঠী হওয়ার জন্য জিবরাইল (আ.) আল্লাহ কর্তৃক নিয়োজিত ছিলেন। এ বিষয়ে হাদিসে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়— ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, জিবরাইল (আ.) রমজানের প্রতি রাতে রাসূলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন এবং ফজর অবধি তার সাথে অবস্থান করতেন। (বুখারি, হাদিস ১৯০২)
রাসূল তাকে কোরআন শোনাতেন এবং তিনি রাতভর তারাবি ও কিয়ামুল লাইলে দীর্ঘক্ষণ কোরআন তেলাওয়াত করতেন। আরো এসেছে, রাসূল তার প্রিয়তমা কন্যা ফাতেমাকে (রা.) গোপনে জানালেন যে, জিবরাইল প্রতি বছর (রমজানে) আমাকে একবার কোরআন শোনাতেন এবং শুনতেন, এ বছর তিনি দু বার আমাকে শুনিয়েছেন-শুনেছেন। একে আমি আমার সময় সমাগত হওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করি। (বুখারি, হাদিস ৩৬২৪)
ইবনে হাজার বলেন : জিবরাইল প্রতি বছর রাসূলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এক রমজান হতে অন্য রমজান অবধি যা নাজিল হয়েছে, তা শোনাতেন এবং শুনতেন। যে বছর রাসূলের ওফাত হয়, সে বছর তিনি দুইবার শোনান ও শোনেন। (ফাতহুল বারি, ১/৪২)
কোরআন নাজিলের মাস এটি। আমরা খোদায়ী বিধান ছেড়ে নিজ মতবাদ অনুযায়ী চলছি। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী না চলায় বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দুনিয়াতে ও আখেরাতের কল্যাণ লাভ করতে আলকোরআনের বিধান সমাজ ও রাষ্ট্রে চালূ করতে হবে।
অতএব কোরআন নাজিলের মাসে সমাজের সকল স্তরে কোরআনের আইন প্রবর্তন করতে হবে। এ আইন পালনের মাধ্যমেই আসবে শান্তি।
(—মাওলানা খালিদ হোসাইন সিপাহী,পরিচালক হক্কানী দরবার)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

এক ক্লিকে বিভাগের খবর